মূল বিষয়বস্তুতে যান

তারাদের সঙ্গে সংযোগের যুগ উন্মোচনের জন্য

দিব্য মানবজাতি হয়ে বেঁচে থাকার পথ

যাঁরা প্রথমবার পড়ছেন তাঁদের জন্য | পড়ার ক্রমের নির্দেশিকা

এই ব্লগে ছয়শোরও বেশি লেখা আছে। কোথা থেকে শুরু করবেন বুঝতে পারছেন না, এমন পাঠকদের কথা শুনে আমি লেখাগুলোকে পড়ার ক্রমে নতুন করে সাজানো একটি নির্দেশিকা তৈরি করেছি।

এই ক্রম প্রকাশের ক্রম নয়। লেখাগুলো সাজানো হয়েছে সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে রাতে ঘুমিয়ে পড়া পর্যন্ত, একটি দিনের প্রবাহ ধরে। আপনি যদি এখানে নতুন হন, অনুগ্রহ করে ওপর থেকে শুরু করুন।

অনুগ্রহ করে সবকিছু একবারে পড়ার চেষ্টা করবেন না। আপনার হৃদয় ছুঁয়ে যায় এমন একটিমাত্র বেছে নিন, আর মাত্র একুশ দিন সেটি চেষ্টা করে দেখুন। বলা হয়, তিন সপ্তাহ ধরে চালিয়ে গেলে তা আপনার নিজের হয়ে যায়।

প্রথম পর্ব: দিনের শুরুতে

দিনের গতিপথ ঠিক হয়ে যায় ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম কয়েক মিনিটে। আত্মার প্রভাতী সমাবেশ, শ্বাস, ভোরের প্রার্থনা।

দ্বিতীয় পর্ব: হৃদয়কে কীভাবে স্থির করবেন

দিনের মধ্যে অস্থির হয়ে পড়া হৃদয়কে কীভাবে ফিরিয়ে আনবেন। শান্ত, স্বাভাবিক মন, অটল হৃদয়, অবচেতন মন, আর দুটি অভ্যাস।

তৃতীয় পর্ব: শব্দ ও চিন্তা কীভাবে ব্যবহার করবেন

শুধু মুখে উচ্চারিত শব্দই নয়, হৃদয়ে ভাবা শব্দও ইতিমধ্যে পাঠানো হয়ে গেছে।

চতুর্থ পর্ব: প্রার্থনা নামের অনুশীলন

প্রার্থনা আর ইচ্ছাশক্তির পার্থক্য কোথায়? আমাদের কীসের জন্য প্রার্থনা করা উচিত, আর কীসের জন্য প্রার্থনা করা উচিত নয়?

পঞ্চম পর্ব: আহার ও জীবন

আমরা কীসের জন্য খাই? ক্ষুধা আর সেই দিনের চিন্তার মধ্যে যোগসূত্র।

ষষ্ঠ পর্ব: কৃতজ্ঞতা নামের দক্ষতা

কৃতজ্ঞতা আপনা-আপনি জেগে ওঠে না; এটি অনুশীলনের মধ্য দিয়ে অর্জন করা একটি দক্ষতা।

সপ্তম পর্ব: দিনের শেষে

ঘুমানোর আগের কয়েক মিনিট কীভাবে ব্যবহার করবেন, আর হাসি প্রসঙ্গে।

আরও পড়ুন

এই নির্দেশিকায় যে লেখাগুলো জায়গা পায়নি, সেগুলোর সবই সব লেখার সূচি-তে দেওয়া আছে।