মূল বিষয়বস্তুতে যান

তারাদের সঙ্গে সংযোগের যুগ উন্মোচনের জন্য

দিব্য মানবজাতি হয়ে বেঁচে থাকার পথ

Voice of Space Brothers

এসো, দিব্য স্ফুলিঙ্গের জোয়ারকে ক্রান্তিক ভরে পৌঁছে দিই (তৃতীয় পর্ব)

প্রকাশের তারিখ হালনাগাদের তারিখ

​ একই শিরোনামের আগের লেখাগুলো

[blogcard url=”https://bn.ascension21.com/voice-of-brothers-311/”]

[blogcard url=”https://bn.ascension21.com/voice-of-brothers-312/”]

 

(আগের বারের পর থেকে)

★পৃথিবীর মানবজাতির চেতনাকে জাগাতেই তুমি জন্মেছ

তত দূর পৌঁছাতে, দিব্য স্ফুলিঙ্গের জোয়ারকে ক্রান্তিক ভর পর্যন্ত তুলতে হবে।

বললে বাড়িয়ে বলা হয় না যে ঠিক সেটা করার জন্যই তুমি এই জীবন বেছে নিয়ে জন্মেছ।

তা করার উপায়, আমরা যেমন বরাবর বলে আসছি, হলো নিজের জীবনে নিঃশব্দে দিব্যতায় প্রোথিত চিন্তা, কথা ও কাজ প্রকাশ করে বাঁচা।

হৃদয় টানটান করে, বড় ভঙ্গি নিয়ে “আমাকে বিশেষ কিছু করতে হবে,” বা “আমাকে কোনো একটা পদক্ষেপ নিতে হবে” ভাবার দরকার নেই।

কোনো কিছুর পক্ষে বা বিপক্ষে সামাজিক আন্দোলন অন্যদের হাতে ছেড়ে দিতে পারো, আর তোমার ভাবনা যাতে জেতে সেজন্য অন্যকে জোর করে বশ মানানোর কথা ভাবারও দরকার নেই।

সেই ধরনের কাজের পদ্ধতি সহজেই দ্বৈত বিরোধের অনুরণন ধারণ করে।

আমরা এমন এক পথে হাঁটছি যা আরও মৌলিক স্তর থেকে জগৎকে বদলায়।

তুমি যা করছ (= তোমার সঙ্গে একসঙ্গে আমরা যা করছি) তা এক মহা মহাজাগতিক উদ্যোগ, যা পৃথিবী-জগতের ধরনকে তার একেবারে ভিত্তি থেকে রূপান্তরিত করে।

যারা এই নীতি বোঝে তারা এই প্রকল্পে অংশ নেয়, আর যাদের এখনো এর সঙ্গে সংযোগ হয়নি তারা আপাতত যেমন আছে তেমনই ঠিক আছে।

কারণ তারা এতে কোনো অর্থ খুঁজে পায় না, তাই আগ্রহী হওয়ার কোনো উপায় তাদের নেই; আর তোমার সঙ্গে আমাদের যৌথ কাজ অত্যন্ত আধ্যাত্মিক আর তাদের কোনো ক্ষতি করে না বলে, তাদের দাঁত খিঁচানোরও কোনো কারণ নেই।

এই জগতের পক্ষে-বিপক্ষের প্রতিটি যুক্তি, এমনকি কোনো পক্ষই নিতে চায় না এমন মানুষসহ, সব কিছুকে আলিঙ্গন করো আর গ্রহণ করো।

যারা এখনো তোমার হাত ফসকে চলে যায়, তাদের জন্যও এমন পথ প্রস্তুত আছে যেখানে তারা তাদের চেতনার অবস্থার উপযোগী কোনো নক্ষত্রে যাত্রা চালিয়ে যেতে পারে।

কিন্তু মহাবিশ্বের হৃদয় চায়, সম্ভব হলে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ চেতনায় বিবর্তিত হোক।

তবুও, কোন জীবনধারা বেছে নেবে তা পৃথিবীর মানুষের ওপরই ছেড়ে দেওয়া আছে, তাই কোনো দিক তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

মহাবিশ্ব বিপুলভাবে বিস্তৃত।

কেবল তার স্থানের বিশালতায় নয়, তার হৃদয়-পরিমণ্ডলের মুক্ত ও বাধাহীন স্বভাবেও।

এই মহাবিশ্বে, এখানে বিদ্যমান প্রতিটি সত্তাকে স্বাধীন ইচ্ছা দেওয়া হয়েছে, আর তবুও দীর্ঘ পরিসরে দেখলে, তাদের সবাইকে ঐক্য আর সমন্বয়ের দিকে চালিত করা হয়, স্বর্গ ও পৃথিবীর আশ্চর্য কাজের আলিঙ্গনে আরও বড় বিবর্তন আর সৃষ্টির দিকে।

তুমিও, নিজের ইচ্ছায় এখন যেখানে আছ সেখানে বাঁচছ এমন চেতনা থাকলেও, পৃথিবী-জগৎ যাতে মহাবিশ্বের হৃদয়ের কল্পনা করা আদর্শ জগতের আরও কাছে আসে, সেজন্য পাঠানো দেবদূতের দিকটাও তোমার আছে।

যদিও কেউ কেউ তা খেয়াল না করে ভাবে তারা কেবল নিজের ইচ্ছাতেই চলছে।

এখন শান্তিকে বাধা দেয় এমন শক্তির মধ্যে থাকা মানুষেরাও হয়তো কোনো এক সময় জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য মনে করে মহাবিশ্বের বিবর্তন আর সৃষ্টির জন্য কাজ করতে শুরু করবে—কোথায় বা কখন, কেউ জানে না। তাই সবার মধ্যে দিব্যতার উপস্থিতি স্বীকার করো, আর তা স্বাভাবিক বলে ধরে নিতে পারো এমন অবস্থায় নিজের হৃদয়কে মেজে-ঘষে উঁচুতে তোলো।

সেটাই মৌলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আর সেটা নিজেই পৃথিবীর মানবজাতির হৃদয়ে দিব্য স্ফুলিঙ্গের জোয়ার সৃষ্টি করার আর চেতনার বিবর্তনকে লক্ষ্য করা মানুষের সংখ্যাকে ক্রান্তিক ভরের কাছে নিয়ে আসার সবচেয়ে ছোট পথ।

তাই প্রতিদিন, তোমার নিজেরসহ মানবজাতির দিব্যতাকে হৃদয়ের আয়নায় প্রতিফলিত করো, আর সেই উপলব্ধিকে গভীর করো।

তাহলে পৃথিবীর বস্তুগত আর আধ্যাত্মিক সব স্পন্দনের আধ্যাত্মিকীকরণ গভীর হবে, যাতে অন্য নক্ষত্রে ব্যবহৃত মহাসমন্বয়ের বিজ্ঞান পৃথিবীতে আনা সহজ হয়। (সমাপ্ত)

 

দিব্য মানবজাতি হয়ে বেঁচে থাকার পথ

এই ব্লগের বার্তাগুলো বিষয় অনুযায়ী সাজিয়ে একটি বইয়ের সিরিজ করা হয়েছে।

Angelusbell

সর্বশেষ ভিডিওটি এখানে দেখানো হয়।

কোমল ছবিসহ ভিডিওর মাধ্যমেও বার্তাগুলো পৌঁছে দেওয়া হয়।

#08 Polishing Myself Is Such a Joy ~ When Growth Turns into Joy | Messages from the Inner Universe

ইউটিউব চ্যানেলে যান